1. admin@www.rangamatipratidin.com : রাঙ্গামাটি প্রতিদিন :
শনিবার, ২৩ অক্টোবর ২০২১, ০২:২৬ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
নানিয়ারচর উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা পরিষদের আয়োজিত বিদায় এবং বরণ অনুষ্ঠান আসন্ন শারদীয় দূর্গাপূজা উপলক্ষে,উপজেলা প্রশাসনের মত-বিনিময় সভা। নানিয়ারচরে উন্নয়ন মূলক কাজের শুভ উদ্বোধন করলেন জেলা পরিষদ সদস্য ইলিপন চাকমা নানিয়ারচরে জাতীয় উৎপাদনশীলতা দিবস-২১ পালিত নানিয়ারচরে মহিলা কাবাডি প্রশিক্ষণ এর সমাপনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত বিদ্যালয়ের প্রথম দিনে পরিদর্শন করলেন: নানিয়ারচর ইউএনও নানিয়ারচরে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা পরিষদের মাসিক সভা অনুষ্ঠিত নানিয়ারচর উপজেলা ক্রীড়া সংস্থা’র দায়িত্বে পরিবর্তন নানিয়ারচরে জেলা পরিষদ সদস্য ইলিপন চাকমা’র সহায়তা প্রদান নানিয়ারচরে আওয়ামী লীগের আয়োজিত ১৫ আগস্টের দলীয় কর্মসূচি

নানিয়ারচরে শেখ রাসেল শিশু নিকেতন সংস্থা নিয়ে অভিযোগ

নিউজ ডেক্সঃ
  • প্রকাশিত: সোমবার, ১৭ মে, ২০২১
  • ২৫৫ বার পড়া হয়েছে

নানিয়ারচর উপজেলার ২নং সদর ইউনিয়নের কাউন্সিল পাড়া নামক এলাকায় শেখ রাসেল শিশু নিকেতন সংস্থা নামে একটি সংগঠন করা হয়েছে। রওসন আরা বেগম নামক এক মহিলাকে দিয়ে আহবায়ক কমিটি করা হয়।

কিন্তু,সম্প্রতি এই সংস্থা নিয়ে তীব্র প্রতিবাদ এবং অভিযোগ তুলেন,নানিয়ারচর উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক বিপ্লবী সাধারণ সম্পাদক ও রাঙ্গামাটি জেলা ছাত্রলীগ নেতা রিপন দাশ।

অভিযোগ সূত্র ধরে জানা যায়,২০১৬ সালে কেন্দ্র থেকে এই কমিটি দেওয়া হয় বলে জানান আহবায়ক রওসন আরা বেগম। তবে তার কোন সাংগঠনিক তৎপরতা এখনো দেখা যায়নি।

অভিযোগকারী ছাত্রনেতা রিপন দাশ বলেন,আমি গত ঈদুল ফিতরের দিনে হঠাৎ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে শেখ রাসেল শিশু নিকেতন সংস্থা নামে একটি আইডি দেখতে পাই। এবং সেখানে ঈদের শুভেচ্ছা স্বরুপ কিছু পোস্ট করা হয়। সেখানে দেখতে পাই নানিয়ারচর সদরে একটি কাউন্সিল পাড়ায় বসবাসকারী রওসন আরা বেগম সংস্থাটির আহবায়ক পরিচয়ে সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা জানাচ্ছে। বিষয়টি আমার চোখে পড়া মাত্র আমি সেই মহিলার বাড়িতে দুই একজনকে নিয়ে গেলাম। বাড়িতে না থাকায় মুঠোফোনে তাকে বিষয়টি সম্পর্কে জানতে চাইলে,বিনিময়ে সেই মহিলা আমার উপর করকরে ভাষায় কথা বলে।

এবং একটা সময়ে সে আমাকে নানা রকম অযুহাত দেখায়। আমি পরক্ষণে বিষয়টি আমাদের নানিয়ারচর উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের অবগত করি।

ছাত্রনেতা রিপন আরো বলেন,রওসন আরা বেগম ব্যক্তিগত রাজনৈতিক পরিচয়ে একজন বিএনপি সংগঠনের সাথে জরিত। এছারাও,সে উপজেলা মহিলা জাতীয়তাবাদী দলের রাজনৈতিক অনুসারী।  তার ভাই উপজেলা যুব দলের রাজনীতির সাথে জরিত। পারিবারিক ভাবে তারা বিএনপির রাজনীতির অনুসারী। তাহলে তারা কি করে শেখ রাসেল শিশু নিকেতন সংস্থা নামকরণে সংগঠন করবে। এটাতো রীতিমতো অসম্ভব।

নিয়মতান্ত্রিক ভাবে,নানিয়ারচর উপজেলায় যদি কোন আওয়ামী লীগের দলীয় নামকরণে কিছু করতে হয়,তাহলে তা অবশ্যই সংশ্লিষ্ট উপজেলা আওয়ামী লীগের দায়িত্বরত সভাপতি/সাধারণ সম্পাদকের অনুমতি নিয়ে তারপর করতে হবে। নয়তো সেটা অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। তাদের সাথে পরামর্শ করেই যে কোন দলীয় নামকরণে সংগঠনের সৃষ্টি করতে হয়।এছাড়াও বঙ্গবন্ধু পরিবারের কারো নামকরণে যদি কোন সংগঠন করা হয়,তাহলে তা অবশ্যই উপজেলা আওয়ামী লীগ কে  অবহিত করতে হবে।

আরো জানা যায়,শেখ রাসেল মেমোরিয়াল সমাজ কল্যাণ সংস্থা নামক সংগঠনের মাধ্যমে শেখ রাসেল শিশু নিকেতন সংস্থার পরিচালনা করেন, এই বিএনপি পন্থী রওসন আরা বেগম।কোন রকম অবগত না করে তার নিজ বাড়ীর পাশে ব্যানার স্বরুপ সাইনবোর্ড প্রদর্শন করে। যা নিয়ম তান্ত্রিক নয়।

বিষয়টি নজরে আসলে ছাত্রনেতা রিপন,উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোঃ আব্দুল ওহাব হাওলাদার ও সাধারণ সম্পাদক জেলা পরিষদ সদস্য ইলিপন চাকমা কে জানান। সেই সাথে আওয়ামী লীগ নেতা ফারুক মৃধা,সাবেক ছাত্রনেতা আব্দুল কুদ্দুসকে জানান।

ছাত্রনেতা রিপন বলেন,শেখ রাসেল হলো বঙ্গবন্ধু পুত্র। তার নাম ব্যবহার করে কোন অনৈতিক কর্মকান্ড করতে সেই সাহস আমরা দিব না।আমরা চাই না জাতির পিতার পরিবারের নাম ব্যবহার করে কেউ কোন ফায়দা লুটুক।তাই এই কমিটির বিলুপ্ত হোক।

এই বিষয়ে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোঃ আব্দুল ওহাব হাওলাদার ও সাধারণ সম্পাদক জেলা পরিষদ সদস্য ইলিপন চাকমা বলেন,তারা এই সংগঠনের বিষয়ে কিছুই জানেন না।এবং কোন রকম লিখিতভাবেও অবগত নন। উপজেলা আওয়ামী লীগের এই দুই শীর্ষ নেতা বলেন, বিষয়টি তদন্ত করে,আইনের আওতায় আনা হবে।

অপরদিকে ছাত্রনেতা রিপন দাশ বলেন,আমি বিষয়টি নিয়ে রওসন আরা বেগমকে অভিযোগ করার পর থেকে বিভিন্ন নাম্বার থেকে ও বিভিন্ন পরিচয়ে আমাকে হুমকিমূলক আচরণ করা হয়। যা আমি আমার সিনিয়র নেতাদের অবগত করেছি।

নিয়ম অনুযায়ী রাঙ্গামাটি জেলা কমিটি, উপজেলা কমিটি গঠন করে। তাহলে কি করে কেন্দ্র থেকে সরাসরি নানিয়ারচরে কমিটি দেয়,সেটাই প্রশ্ন উপজেলা আওয়ামী লীগের। এবং যা কোন রকম রাজনৈতিক পরিচয় যাচাই বাছাই না করে। পরবর্তীতে কোন রকম অপকর্মের দায়ভার নিতে হবে উপজেলা আওয়ামী লীগ কে।

অবশেষে বিষয়টি উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক তদন্ত করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন বলে জানান। এবং এই কমিটির সকল রকম কর্মকান্ড পরিচালনা বন্ধ রাখার জন্য অবহিত করেন।

তবে,বিষয়টি উপজেলা প্রশাসন,পুলিশ প্রশাসন, গোয়েন্দা সংস্থাদের তদন্ত করা উচিত।বঙ্গবন্ধু পরিবারের নাম ব্যবহার করে এমন দুঃসাহস দেখানো রীতিমতো অপরাধ।

এছাড়াও, শেখ রাসেল শিশু নিকেতন নামক পরিচালিত একটি সামাজিক মাধ্যম (,ফেসবুক) আইডিটিও প্রশাসনের নজরে আনা উচিত।এটি সঠিক ভাবে নিয়ন্ত্রণ করা না হলে, পরবর্তীতে আরেকজন এভাবে সুবিধাবাদী হিসেবে দলের নাম ব্যবহার করে ফায়দা লুটবে।

 

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন