1. admin@www.rangamatipratidin.com : রাঙ্গামাটি প্রতিদিন :
শনিবার, ২৩ অক্টোবর ২০২১, ০২:৫৪ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
নানিয়ারচর উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা পরিষদের আয়োজিত বিদায় এবং বরণ অনুষ্ঠান আসন্ন শারদীয় দূর্গাপূজা উপলক্ষে,উপজেলা প্রশাসনের মত-বিনিময় সভা। নানিয়ারচরে উন্নয়ন মূলক কাজের শুভ উদ্বোধন করলেন জেলা পরিষদ সদস্য ইলিপন চাকমা নানিয়ারচরে জাতীয় উৎপাদনশীলতা দিবস-২১ পালিত নানিয়ারচরে মহিলা কাবাডি প্রশিক্ষণ এর সমাপনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত বিদ্যালয়ের প্রথম দিনে পরিদর্শন করলেন: নানিয়ারচর ইউএনও নানিয়ারচরে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা পরিষদের মাসিক সভা অনুষ্ঠিত নানিয়ারচর উপজেলা ক্রীড়া সংস্থা’র দায়িত্বে পরিবর্তন নানিয়ারচরে জেলা পরিষদ সদস্য ইলিপন চাকমা’র সহায়তা প্রদান নানিয়ারচরে আওয়ামী লীগের আয়োজিত ১৫ আগস্টের দলীয় কর্মসূচি

একজন দেশপ্রেমিক দয়াল কৃষ্ণ চাকমা

নিউজ ডেক্সঃ
  • প্রকাশিত: সোমবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২১
  • ১৩৮ বার পড়া হয়েছে

নাম তার দয়াল কৃষ্ণ চাকমা।
যিনি বাংলার ইতিহাসে রেখেছেন বীরত্ব গাঁথা অবদান।
যার জম্ম না হলে হয়তো, সেদিন আমাদের দেশের সূর্য সন্তান
শহীদ বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সি আব্দুর রউফ এর সমাধী টুকু হতো না।
১৯৭১ সালে যখন দেশের বুকে রক্তে লাল হয়ে গিয়েছিল আমার বাংলার আকাশ বাতাস।
দেশকে পাক বাহিনীর হাত থেকে রক্ষা করতে ঝাপিয়ে পড়েছিলো
বাংলার দামাল ছেলেরা।
অকাতরে বিলিয়ে দিয়েছিলো তাদের তাজা রক্ত।
স্বাধীন করেছিলো এই দেশ,যার নাম স্বাধীন বাংলাদেশ।
স্বাধীন দেশের বুকে উড়িয়েছিলো স্বাধীন পতাকা।
তাদেরই একজন বীরশ্রেষ্ঠ খেতাব প্রাপ্ত ল্যান্স নায়েক বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সি আব্দুর রউফ।
যিনি ১৯৭১ সালে রাঙ্গামাটির নানিয়ারচর উপজেলা ও মহালছড়ির মাঝামাঝি বুড়িঘাট ইউনিয়নের
একটি পাহাড়ী টিলায় যুদ্ধচলাকালীন পাক বাহিনীর নিক্ষেপ করা মর্টার সেল বোমার আঘাতে মৃত্যু বরণ করেন।
কিন্তু যুদ্ধ চলাকালীন তিনি পাক বাহিনীর ৭টি ইঞ্জিন বোট মোকাবিলা করে পানিতে ডুবিয়ে দেন।
এবং তাদের প্রতিহত করেন।
অপরদিকে পাক বাহিনীর ২টি লঞ্চ প্রতিহত করতেই তাকে মর্টার সেল বোমা নিক্ষেপ করা হয়।
সাথে সাথে তিনি মৃত্যু বরণ করেন।

তার মৃত্যুর পর হয়তো তার দেহটি পঁচে গলে যেতো,হয়তো আর কেউ খুঁজে পেত না।
কিন্তু সেদিন বিধাতার অপুরুপ সৃষ্টি দয়াল কৃষ্ণ চাকমা এক উজ্জল দৃষ্টান্ত হয়ে আবির্ভাব হয়েছে।
তিনিই সেদিন মুন্সি আব্দুর রউফকে বুড়িঘাট ইউনিয়নের সেই টিলায় সমাধি দেন।
যার নাম এখন রউফ টিলা নামে পরিচিত।

দেশ স্বাধীনের পর তৎকালীন বিডিআর বিভাগ এই রউফ টিলার
সংরক্ষণ ও ইতিহাসের বীরত্ব চির স্বরণীয় রাখতে স্থাপন করেন
অগ্নি শিখা ও শহীদ সমাধির মাজার।
সেইদিন থেকে আজও দৃষ্টি আকর্ষণ করে সবাইকে ইতিহাসের এক দৃষ্টান্ত এই বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সি আব্দুর রউফ এর সমাধী।
প্রতিদিন নানা প্রান্ত থেকে প্রচুর লোকজন ভীড় জমায় এই বীরের সমাধিতে।

প্রতিবছর জাতীয় প্রোগ্রামে ও সরকারি প্রোগ্রামে বীরের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।
রক্ষনাবেক্ষণ এর জন্য রাখা হয়েছে কেয়ারটেকার।

তবে দেশের ৭ বীরশ্রেষ্টের একজন শহীদ বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সি আব্দুর রউফ এর সমাধি হলো
নানিয়ারচর উপজেলায়,যা অত্যেন্ত গৌরবের।
আর এই গৌরব যিনি আজ সকলের মাঝে পরিচিত করেছেন
তিনি হলো এই দয়াল কৃষ্ণ চাকমা।
তবে শহীদ মুন্সি আব্দুর রউফ বীরশ্রেষ্ঠ খেতাব পেলেও এই দয়াল কৃষ্ণ তেমন কোন রকম সহযোগিতা পাননি।
যতটুকু তার প্রাপ্য ছিল।।
সরকার থেকে সামান্য কিছু সম্মানি ভাতা পান।
এছাড়া বিভিন্ন সরকারি প্রোগ্রামে নানিয়ারচর উপজেলা প্রশাসন ও
রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসন সহ উপজেলা আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে তাকে সম্মাননা জানানো হয়।
মৃত্যুর আগে দয়াল কৃষ্ণ চাকমা চায়,তার মুক্তিযুদ্ধের সেই বীরত্বের সঠিক সম্মান।
এটাই তার চাওয়া ও পাওয়ার একমাত্র অভিমত।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন